আজ বাংলা চলচ্চিত্রের সর্বশেষ সুপারষ্টার মান্নার অষ্টম মৃত্যুবার্ষিকি। ২০০৮ সালের এই দিনে ছেড়ে চলে এই মহানায়ক। যার বিদায়ে ধংস্ব হয়ে যায় আমাদের চলচ্চিত্রে। যার অভাব আজও পূরন হয়নি। ১৯৯৯ সালে “আম্মাজান“সুপার বাম্পার ব্যাবসা করার পর তার মুক্তি প্রাপ্ত ছবি টানা হিট হওয়ার কারনে ঢাকায় ছবির ১ নাম্বার আসনে বসেন...২০০৮ সালে তার মৃত্যুর আগ পর্যন্ত ছিলেন ঢাকায় চলচ্চিত্রের নাম্বার ওয়ান।মান্নার ক্যারিয়ারে সব ধরনের ছবি করেছেন তিনি...
বাংলা চলচ্চিত্রের ইতিহাসে ৬০ টির বেশী নায়িকার সাথে অভিনয় করার রের্কডটিও তার।মুক্তিযোদ্ধো ও বানিজ্যিক চলচ্চিত্র- বীরসৈনিক“চলচ্চিত্রের জন্য তিনি জাতীয় চলচ্চিত্র পুরষ্কার পান।এ ছাড়া অসংখ্য মেরিল প্রথম আলো,বাচসাস সহ অনন্য পুরস্কার পান।
মান্নার এমন জনপ্রিয় ছিলেন যে তার মৃত্যুর পরে ২০ টির অধিক ছবির মুক্তি পায় এবং অধিকাংশ ছবি সুপার ডুপার ব্যাবসা করে।
মান্না সব ধরনের ছবিতে অভিনয় করে সফল হয়েছেন। রাজনৈতিক,দেশপ্রমি, প্রেমিক,সন্ত্রাসী,কবি সাহিত্যিক গল্পের ছবিতে তিনি তার প্রতিভা দেখিছেন যেগুলো বানিজ্যিক ভাবেও সফল।
মান্না এমনই একজন তিনি বরাবরই চলচ্চিত্রে অশ্লীলতার বিরুদ্ধে প্রতিবাদ করেছেন। চলচ্চিত্রে যখন ভয়াবহ অশ্লীলতা শুরু
হয় তখনকার কিছু নায়কেরা মোটা টাকা আর ক্যারিয়ারের জন্য অশ্লীলতার পক্ষে ছিলেন।
মান্না ২০০৫ সালের চলচ্চিত্রে বিপুল ভোটে সাধারন সম্পাদক পদে জয়ি হন। ওয়ান ইলেভেন সরকারের সহযোগিতায় তিনি অশ্লীলতা মুক্ত করেন। মান্না ছিলেন একমাত্র নিবেদিত প্রান যিনি চরম অশ্লীলতার মধ্যে সুপার ব্যাবসা সফল আর পাইরেসির মধ্য দিয়ে
২০০৮ পর্যন্ত ১২০০ হল টিকিয়েছিলেন।
