রাজধানীর নয়াপল্টনে বিএনপি'র কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে ভাংচুর চালিয়ে আগুন দিয়েছে ছাত্রদলের পদবঞ্চিতরা। এ সময় তারা কার্যালয়ের সামনে ২টি মোটরসাইকেল পুড়িয়ে দেয়। পুলিশ ও সরকারের ইন্ধনে এই ঘটনা ঘটেছে বলে অভিযোগ করেছে বিএনপি।
সোমবার বিকেল পৌনে ৪টার দিকে একটি মিছিল নিয়ে নয়াপল্টনে বিএনপি'র কেন্দ্রীয় কার্যালয়ের সামনে এসে বিক্ষোভ শুরু করে ছাত্রদলের পদবঞ্চিতরা। শুরুতেই আচমকা দুটি মোটর সাইকেলে আগুন দিলে আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়ে ওই এলাকায়।
এ সময় তারা কার্যালয়ের গেটে স্থাপিত জিয়াউর রহমানের ম্যুরাল ভাংচুর ও বেগম জিয়ার ছবি পুড়িয়ে দেয়। এরপর তারা কার্যালয়ের ভেতরে প্রবেশ করে ভাংচুর চালায়। এক পর্যায়ে ভবনের ৪তলায় ছাত্রদলের কার্যালয়ে আগুন দেয় তারা।
ঘটনার কিছুক্ষণের মধ্যে পুলিশ এসে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে। খবর পেয়ে ফায়ার সার্ভিসের দুটি ইউনিট এসে আগুন নেভায়।
পরে কার্যালয়ে তাৎক্ষণিক এক সংবাদ সম্মেলনে এ ঘটনার জন্য সরকার ও প্রশাসনকে দায়ী করেন দলের যুগ্ম-মহাসচিব রুহুল কবির রিজভী।
রিজভী বলেন, 'সামনে বিএনপির কাউন্সিল অনুষ্ঠিত হবে। আর এই কাউন্সিলকে সামনে রেখে সরকারের মদদে ছাত্রদল নামধারী কিছু দুষ্কৃতিকারী এ হামলা চালিয়েছে।'
সাংবাদিকদের তিনি আরও বলেন, 'ঘটনাস্থলের কাছেই পুলিশ ছিল। একটি রাজনৈতিক দলের কার্যালয়ে এভাবে ভাঙচুর-অগ্নিসংযোগ চালালেও তাদের ভূমিকা ছিল রহস্যজনক। পুলিশ তাৎক্ষণিক ব্যবস্থা নিলে দুষ্কৃতিকারীরা হামলা চালাতে পারতো না।'
গত শনিবার রাতে কেন্দ্রীয় ছাত্রদলের ৭৩৬ সদস্যবিশিষ্ট পূর্ণাঙ্গ কমিটির অনুমোদন দেন বিএনপি চেয়ারপারসন বেগম খালেদা জিয়া।সময় নিউজ।
