শেরপুরে সুপারি চুরির অভিযোগে শিশু নূর আলমকে পিটিয়ে হত্যার অভিযোগের সতত্যা পাওয়া গেছে। মরদেহের ময়না তদন্ত প্রতিবেদনে শিশুটির ঘাড়ে একাধিক আঘাতের চিহ্ন মিলেছে। ঘটনার নয় দিন পরও কাউকে গ্রেপ্তার করতে পারেনি পুলিশ।
গত এক ফেব্রুয়ারিই নিখোঁজের পরদিনই এই গাছটিতেই ঝুলছিল পঞ্চম শ্রেণির ছাত্র নুরে আলমের নিথর দেহ। এতটুকু মানুষ কেন আত্মহনন করবে?, এ প্রশ্ন ছিলো শুরু থেকেই।
মঙ্গলবার পাওয়া ময়নাতদন্ত রিপোর্টেই মিলল সেই প্রশ্নের উত্তর, সেখানে বলা হয়েছে এটি কোন আত্মহত্যা নয়, হত্যা। নুরে আলমের ঘাড়ে একাধিক আঘাতের চিহ্ন পাওয়া গেছে। চিকিৎসকদের ধারনা নির্যাতনের এক পর্যায়ে ঘাড়ে জোড়ালো কোনো আঘাতেই তার মৃত্যু হয়েছে।
ঘটনার পর থেকেই পুলিশের ভূমিকা ছিলো প্রশ্নবিদ্ধ। নিহতের স্বজনরা শেরপুর সদর থানায় হত্যা মমালা করতে গেলে পুলিশ না নিয়ে উল্টো অপমৃত্যু মামলা করার পরামর্শ দেয় । পরে আদালতের নির্দেশে ৬ ফেব্রুয়ারি মামলা নেয় থানা।
স্থানীয়রা জানান, ৩১ জানুয়ারি সন্ধ্যায় বাড়ির পাশের একটি গাছ থেকে সুপারি পাড়ে শিশু নুর আলম। এ সময় তাকে ধরে বেদম পারপিট করে গাছ মালিক মতি মিয়া ও তার ছেলে মামুন। খবর পেয়ে ছুটে যান নুর আলমের বাবা-মা। কিন্তু ছেলেকে আর খুঁজে পাননি তারা। পরদিন ওই বাড়ির পাশের কাঁঠাল গাছেই মেলে নিথর নুর আলমের মরদেহ। ঘটনার পরথেকেই পলাতক মতিমিয়ার পরিবার। তাদের কাউকেই এখনও গ্রেপ্তার করতে পারেনি পুলিশ। ইন্ডিপেনডেন্ট নিউজ ।
