বিশ্ববাজারে নিত্যপণ্যের দাম কমার সুফল পাচ্ছেন না দেশের ভোক্তারা। আন্তর্জাতিক দামের সাথে দেশের বাজারে পণ্যের দাম সমন্বয় না করাই এর কারণ বলছেন বিশ্লেষকরা। এছাড়া সরকারের নজরদারির অভাবে কিছু ব্যবসায়ী বছরের পর বছর ফায়দা লুটছেন বলে জানিয়েছে কনজ্যুমারস অ্যাসোসিয়েশন অব বাংলাদেশ-ক্যাব।
জ্বালানি তেলের দাম কমতে শুরু করার পর থেকেই বিশ্বব্যাপী বদলে যায় নিত্যপণ্যের বাজার। তবে দেশের বাজারে এর প্রভাব পড়েছে সামান্যই।
২০১১ এর ফেব্রুয়ারিতে সয়াবিন তেলের সর্বোচ্চ দাম উঠে প্রতি টন ১২শ ৭০ ডলার। এরপর বিভিন্ন দফায় দাম কমে ডিসেম্বরে তা হয়েছে ৬শ ৭৭ ডলার। দাম কমেছে ৪৭ শতাংশের মতো। তবে দেশের বাজারে বোতলজাত সয়াবিন তেলের দাম কমেছে মাত্র ২৫ ভাগ।
ভোজ্য তেলের মতো একই অবস্থা অন্যান্য পণ্যেও। বিশ্ববাজারে গম ও গুড়ো দুধের দাম ৫০ শতাংশের বেশি কমলেও, দেশের বাজারে কমেনি আটার দাম। আর দুধের দাম কমেছে সামান্যই।
বিশ্বব্যাংকের এক গবেষণায় বলা হয়েছে, বিশ্ববাজারে পণ্যের দাম ১০ টাকা বাড়লে দেশের বাজারে বাড়ে সাড়ে তিন টাকা। কিন্তু ১০ টাকা কমলে দাম কমে মাত্র এক টাকা।
মুখ্য অর্থনীতিবিদ, বিশ্বব্যাংক তবে এর কোনো সদুত্তর নেই কোম্পানির বিক্রয় কর্মকর্তাদের কাছে।
কনজ্যুমারস অ্যাসোসিয়েশন অব বাংলাদেশ-ক্যাব বলছে, এসব পণ্য আমদানিতে একটি অনৈতিক সিন্ডিকেট আছে। তারাই নিয়ন্ত্রণ করে এই সব পণ্যের বাজার।
তিনি জানান, এই সিন্ডিকেট ভাঙ্গতে হলে টিসিবির মাধ্যমে পণ্য আমদানির উদ্যোগ নিতে হবে সরকারকে। ইন্ডিপেনডেন্ট নিউজ।
জ্বালানি তেলের দাম কমতে শুরু করার পর থেকেই বিশ্বব্যাপী বদলে যায় নিত্যপণ্যের বাজার। তবে দেশের বাজারে এর প্রভাব পড়েছে সামান্যই।
২০১১ এর ফেব্রুয়ারিতে সয়াবিন তেলের সর্বোচ্চ দাম উঠে প্রতি টন ১২শ ৭০ ডলার। এরপর বিভিন্ন দফায় দাম কমে ডিসেম্বরে তা হয়েছে ৬শ ৭৭ ডলার। দাম কমেছে ৪৭ শতাংশের মতো। তবে দেশের বাজারে বোতলজাত সয়াবিন তেলের দাম কমেছে মাত্র ২৫ ভাগ।
ভোজ্য তেলের মতো একই অবস্থা অন্যান্য পণ্যেও। বিশ্ববাজারে গম ও গুড়ো দুধের দাম ৫০ শতাংশের বেশি কমলেও, দেশের বাজারে কমেনি আটার দাম। আর দুধের দাম কমেছে সামান্যই।
বিশ্বব্যাংকের এক গবেষণায় বলা হয়েছে, বিশ্ববাজারে পণ্যের দাম ১০ টাকা বাড়লে দেশের বাজারে বাড়ে সাড়ে তিন টাকা। কিন্তু ১০ টাকা কমলে দাম কমে মাত্র এক টাকা।
মুখ্য অর্থনীতিবিদ, বিশ্বব্যাংক তবে এর কোনো সদুত্তর নেই কোম্পানির বিক্রয় কর্মকর্তাদের কাছে।
কনজ্যুমারস অ্যাসোসিয়েশন অব বাংলাদেশ-ক্যাব বলছে, এসব পণ্য আমদানিতে একটি অনৈতিক সিন্ডিকেট আছে। তারাই নিয়ন্ত্রণ করে এই সব পণ্যের বাজার।
তিনি জানান, এই সিন্ডিকেট ভাঙ্গতে হলে টিসিবির মাধ্যমে পণ্য আমদানির উদ্যোগ নিতে হবে সরকারকে। ইন্ডিপেনডেন্ট নিউজ।